Friday, March 11, 2022

3 গন্ডার শাবককে কাজিরাঙ্গা থেকে পাঠানো হল চিড়িয়াখানায়

3 গন্ডার শাবককে কাজিরাঙ্গা থেকে পাঠানো হল চিড়িয়াখানায়


পশু বসুন্ধরা, দিসপুর, আসাম, 11/03/2022 : আসামের কাজিরাঙ্গা অভয়ারণ্য থেকে তিনটি গন্ডার শাবককে শেষ পর্যন্ত চিড়িয়াখানায় পাঠিয়ে দেওয়া  হল। 

বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে 2019 সালের ভয়াবহ বন্যায় তিনটি গন্ডার শাবককে উদ্ধার করেছিল বন দপ্তর। এই তিন গন্ডার শাবককে উদ্ধার করা হয়েছিল কাজিরাঙ্গা অভয়ারণ্যের কোহরা, বিশ্বনাথ এবং অগ্রতুলি এলাকাগুলি থেকে। তিনটি গন্ডার শাবককেই আলাদা আলাদা জায়গা থেকে ব্যাপক অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করেছিলেন আসামের বন দপ্তরের কর্মীরা।

তিনটি গন্ডার শাবকের চিকিৎসা চলছিল। এরা তিনজনই মা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এদেরকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার পর দীর্ঘদিন চিকিৎসা চালানো হচ্ছিল। এখন এদের বয়স 3-4 বছর। কিন্তু এদের আরও ভালভাবে চিকিৎসা করা দরকার রয়েছে। তাই এই তিন গন্ডার শাবকদের কড়া নিরাপত্তা দিয়ে কাজিরাঙ্গা অভয়ারণ্য থেকে নিয়ে আসা হল গুয়াহাটির অসম স্টেট জু বা চিড়িয়াখানায়। এখন থেকে এদের এখানেই চিকিৎসা করা হবে। ডাক্তাররা জানিয়েছেন, এই মুহুর্তে গন্ডার শাবকগুলি কিছুটা অচৈতন্য অবস্থায় রয়েছে।

Monday, March 7, 2022

মানস অভয়ারণ্যে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে বাঘ আর গন্ডারের সংখ্যা

মানস অভয়ারণ্যে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে বাঘ আর গন্ডারের সংখ্যা


পশু বসুন্ধরা, গুয়াহাটি, আসাম, 08/03/2022 : আসামের মানস অভয়ারণ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বাঘের সংখ্যা। ঐ অরণ্যে ক্রমেই বাড়ছে গন্ডারের সংখ্যাও। 2021 সুমারি থেকে উঠে আসছে এই তথ্য।

ভুটান লাগোয়া আসামের মানস অভয়ারণ্যে বেড়ে চলেছে বাঘের সংখ্যা, একতা সময় যা কিনা ছিল অতি নগণ্য। কিন্তু এখন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে চলেছে বাঘের সংখ্যা। 2021 সালেই শেষ হয়েছে বাঘ সুমারি। এই মুহূর্তেও বাঘ সুমারি চালানো হচ্ছে, যা শেষ হবে চলতি মাসের শেষে। মানস অভয়ারণ্যের বন্ কর্মীরা বলছেন, বাঘের সংখ্যা বেড়ে যা দাঁড়াবে বলে তাঁরা ভাবছেন, এবার সম্ভবত তার চেয়েও বেশি হবে বাঘের সংখ্যা।


মানস অভয়ারণ্যের ডেপুটি রেঞ্জার বাবুল ব্রম্ভ বলেন, "2010 সালে মানস অভয়ারণ্যে প্রথমবার বাঘ সুমারি করা হয়েছিল। সেই সময় এই অভয়ারণ্যে বাঘের সংখ্যা ছিল মাত্র 10, এর পরের বাঘ সুমারি করা হয়েছিল 2020 সালে। ভাবা গিয়েছিল বাঘের সংখ্যা অন্তত দ্বিগুণ হবে। কিন্তু দেখা গেল বাঘের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে 30; এর পর ফের 2021 সালে বাঘ সুমারি করা হয়েছে। দেখা গেল বাঘের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে 48; অর্থাৎ এক বছরের মধ্যে 18তি ব্যাঘ্র শাবক পেয়েছে মানস অভয়ারণ্য। 2022 সালে বর্তমানে ফের একবার বাঘ সুমারি করা হচ্ছে। চলতি মাসের শেষেই সুমারি শেষ হবে। আমরা আশা করছি মানস অভয়ারণ্যে বাঘের সংখ্যা 60 পেরিয়ে যাবে।"


বাবুল ব্রম্ভ বলেন, "মানস অভয়ারণ্য ভুটানের আন্তর্জাতিক সীমানা ছুঁয়ে আছে। এই অভয়ারণ্যে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধির পিছনে রয়েছে ভুটানের কৃতিত্বও। 2003 সালে আমি যখন এই অভয়ারণ্যে প্রথমবার কাজে যোগ দিই, তখন এখানকার অবস্থা ছিল অত্যন্ত খারাপ। কিন্তু এর পর থেকে এই অভয়ারণ্য ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। আগামী 10-12 বছরে মানস অভয়ারণ্য একেবারে স্বমহিমায় ফিরে যাবে বলে আমার বিশ্বাস রয়েছে।"


মানস অভয়ারণ্যে বাঘের পাশাপাশি গন্ডারের সংখ্যাও উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্ কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি 5-6টি নতুন গন্ডার শাবকের জন্মও হয়েছে এখানে। 2005 সালে আসাম সরকার মানস অভয়ারণ্যে গন্ডার নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেইমত 2006 সালে কাজিরাঙ্গা অরণ্য থেকে একটি ও পরে আরও একটি গন্ডারকে এখানে ছাড়া হয়েছিল। বর্তমানে এই অভয়ারণ্যে গন্ডারের সংখ্যাও যথেষ্ট বেড়ে চলেছে।

Monday, January 17, 2022

অবোলাদের ভাষা হয়ে উঠুন তরুন ফরেস্ট অফিসাররা : বন মন্ত্রী

অবোলাদের ভাষা হয়ে উঠুন তরুন ফরেস্ট অফিসাররা : বন মন্ত্রী


পশু বসুন্ধরা (বাংলা), নতুন দিল্লী, ভারত, 18/01/2022 : যাঁরা নতুন ফরেস্ট অফিসার হিসেবে কাজ করতে আসছেন তাঁদেরকে অবোলা পশুদের ধ্বনি হয়ে উঠতে হবে বলে মন্তব্য করলেন দেশের বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ভুপেন্দর যাদব।

দেরাদুনের ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশানাল ফরেস্ট একাডেমীতে 2020 ব্যাচের ইণ্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস (IFS) ট্রেনিদের প্রশিক্ষণ চলছে। সেই হবু অফিসারদের সাথে ভার্চুযালি কথা বলছিলেন দেশের বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ভুপেন্দর যাদব। 

তরুন অফিসারদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, "পশুরা কথা বলতে পারে না। তাই তাদের মুখের বক্তব্য দেশ জানতে পারবে এই তরুন অফিসারদের মাধ্যমেই। পশুদের মুখের ভাষা হয়ে উঠুন। পরিবেশকে রক্ষা করুন। জীব বৈচিত্রের সাম্যতা রক্ষা করুন। অরণ্যকে রক্ষা করুন। বন্য পশুদের রক্ষা করুন। এমন কিছু করুন যাতে আপনাদের দেখে বনের আশেপাশে থাকা গ্রামের সাধারন মানুষও অনুপ্রাণিত হয়। এর জন্যে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে আপনাদের।"

Sunday, October 3, 2021

গর্তে পড়ে যাওয়া হাতিকে কোনোক্রমে উদ্ধার করল বন দপ্তর

গর্তে পড়ে যাওয়া হাতিকে কোনোক্রমে উদ্ধার করল বন দপ্তর


পশু বসুন্ধরা, 04/10/2021 : রাতভর চেষ্টা করে ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ অরণ্যের কাছে গড়তে পড়ে যাওয়া একটি হাতিকে উদ্ধার করল বন দপ্তর।

গত শনিবার রাতে ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার বাংরিপোসি রেঞ্জের কাছে টেম্বাটোলা গ্রামে ঢুকে পড়েছিল বেশ কয়েকটি বুনো হাতির একটি দল। হাতির পাল গ্রামে ঢুকতেই ভয়ে পালাতে শুরু করে গ্রামবাসীরা। হাতির ভয়ে বিনিদ্র রাত্রি যাপন করে গ্রামবাসীরা।


মধ্যরাতের দিকে কিছু গ্রামবাসী হাতি খেদানোর জন্য হাতিদের তাড়া করে। সেই সময় অল্প বয়সী একটি হাতি একটি গর্তে পড়ে যায় এবং ব্যাপক চীৎকার করতে থাকে। সে নিজেও গর্ত থেকে উঠে পড়ার নানান চেষ্টা করতে থাকে কিন্তু ব্যর্থ হয়। 

এরপর খবর যায় বন দপ্তরে। বন দপ্তরের কর্মীরা এসে হাতিটিকে উদ্ধারের কাজে হাত লাগান। দুরে দাঁড়িয়ে থেকে হাতিদের বাকি দলটি সঙ্গীর জন্যে অপেক্ষা করতে থাকে। 

ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয় জেসিবি মেশিন। জ্বালানো হয় বড় বড় আলো। এরপর রাতভর প্রচেষ্টার পর গর্তে পড়ে যাওয়া হাতিটিকে অক্ষত্দেহে উদ্ধার করেন বনকর্মীরা।

Tuesday, August 31, 2021

অরণ্যে চরম খাদ্য সঙ্কটে বিলুপ্তপ্রায় ম্যাকক বানর

অরণ্যে চরম খাদ্য সঙ্কটে বিলুপ্তপ্রায় ম্যাকক বানর


পশু বসুন্ধরা, 01/09/2021 : ভারতের পশ্চিমঘাট পর্বতে রীতিমত অনাহারে দিন কাটাচ্ছে বিলুপ্তপ্রায় ম্যাকক (সিংহের মত লেজযুক্ত) বানরের দল। একটু খাবারের জন্যে তাদের নির্ভর করতে হচ্ছে পর্যটকদের জন্যে।

কর্নাটকের শিবমগ্গা অঞ্চলে রেন ফরেস্টে বসবাস করে ম্যাকক প্রজাতির বানর (Lion tailed macaque)।  এরা স্থানীয় গাছের ছায়ায় থাকতে ভালবাসে। কিন্তু দিনকেদিন অরণ্যের পরিধি এবং স্থানীয় গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় এই প্রজাতির বানর চরম বিপদে পড়েছে। অরণ্যের মধ্যে তারা একেবারেই খাবার পাচ্ছে না। তাই অরণ্যের মধ্যে দিয়ে যাওয়া রাস্তাগুলিতে তাদেরকে ভীড় করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এই এলাকায় রাস্তায় বেশ কিছু হেয়ার পিন বেন্ড রয়েছে। সেখানে গাড়িগুলির গতিবেগ কমে যায়। পর্যটকেরা কিছু খাবার ছুঁড়ে দিলে সেই খাবার খেয়েই পেট ভরাতে হয় ঐ বানরদের। 


শিবমগ্গার অরণ্যে পশুদের এমন করুন অবস্থার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন পরিবেশবীদরা। এই প্রজাতির বানর এমনিতেই বিলুপ্তপ্রায় হয়ে গিয়েছে। অরণ্যের পরিধি ছোট হতে শুরু করায় খাদ্যের ব্যাপক অভাব দেখা দিয়েছে। যে স্থানীয় গাছের ছাওয়ায় এই প্রজাতির বানর  বসবাস করতে ভালবাসে, সেই ধরনের গাছ ব্যাপক হারে কেটে নেওয়া হয়েছে। পরিবার্তে সরকার বাবলা ও অন্যান্য গাছ সেখানে লাগিয়েছে। 

তাছাড়া এই প্রজাতির বানর খুব বেশি হিংস্র নয়, বরং একটু লাজুক প্রকৃতির। তবে বর্তমানে এরা চরম বিপদে দিন কাটাচ্ছে। পেট ভরানোর জন্যে পর্যটকদের ছুঁড়ে দেওয়া চিপসএর প্যাকেটের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। তার ওপর রাজ্য সরকার ঐ এলাকায় পর্যটকদের গাড়ি না থামানোর নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু বানরদের জন্যে পর্যাপ্ত খাদ্যের ব্যবস্থা করতে পারে নি। তাই চরম খাদ্য সঙ্কটে ভুগছে ম্যাকক বানররা।

Tuesday, August 17, 2021

বাড়িতে পোষ্য নিয়ে এলে দায় দায়িত্ব বুঝে নিন

বাড়িতে পোষ্য নিয়ে এলে দায় দায়িত্ব বুঝে নিন


পশু বসুন্ধরা, 18/08/2021 : বাড়িতে পোষ্য আনতে পারলে সকলেরই ভাল লাগে। পরিবারে পোষ্যের উপস্থিতি মন ভাল রাখে। কিন্তু পোষ্যকে শুধু পরিবারের মাঝে আনলেই চলবে না। নিতে হবে যথাযথ দায় দায়িত্ব। তাকে প্রথম দিন থেকেই পরিবারের অন্যতম সদস্য হিসেবে প্রাধান্য দিতে হবে। তবেই পোষ্যটির উপস্থিতি উপভোগ্য হয়ে উঠবে।

কি কি ধরনের দায় দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে ?

প্রথমত, প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় তাকে দিতে হবে।আজকের দিনে মানুষ অনেক বেশি কর্মব্যস্ত। অনেকেই মোবাইল ফোনে দিনের অনেকটা সময় কাটান। আপনার পোষ্য কিন্তু আপনার সঙ্গ চাইবেই। কারন সে আপনাকে নি:স্বার্থ ভালবাসে। তাই উচিত হবে দিনের কোনো একতা সময় আপনার পোষ্যকে দেওয়া। তার সাথে সময় কাটানো, তার সাথে খেলা করা। বাড়ির কোনো একটি বিশেষ প্রান্তে তাকে নিয়ে চলে যেতে পারেন।

দ্বিতীয়ত, আপনাকে নজর দিতে হবে যাতে ছোট থেকেই আপনার পোষ্য ভালোভাবে বেড়ে উঠতে পারে। তার জন্য যেমন সুষম খাদ্যের ডায়েট দরকার, তেমন দরকার তার ব্যায়াম। দৌড় ঝাঁপ, লাফালাফি ইত্যাদির মাধ্যমেই তার ব্যায়াম করা হয়ে যায়। আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে তার ব্যায়াম প্রতিদিন হচ্ছে কিনা। এর পাশাপাশি তার সুষম খাদ্য বা ডায়েটের দিকেও নজর রাখতে হবে। এই বিষয়টা সম্পর্কে একজন পশু চিকিত্সকের থেকে পরামর্শ গ্রহণ করাই উচিত হবে। পোষ্যের নিয়মিত ভ্যাকসিন এবং অন্যান্য ওষুধপত্র দিতে হবে চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী ।


তৃতীয়ত, আপনার পোষ্য আপনাকে 100% বিশ্বাস করে যে আপনি তার পুরো নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করেছেন। আপনার পোষ্যকে নিরাপদ জায়গায় রাখুন, যাতে সে নিরাপদ থাকে। তার ধারে কাছে এমন কিছু জিনিস রাখবেন না, যা থেকে তার ক্ষতি হতে পারে। এমন কিছু বিষাক্ত দ্রব্যও রাখবেন না যা সে খেয়ে ফেলতে পারে।

চতুর্থত, আপনার পোষ্যকে এমন শাসন করবেন না যা তার মনোবল নষ্ট করে দিতে পারে। আপনার পোষ্যকে এমনভাবে বকাবকি করতে পারেন, যাতে সে তার দশ বা ভুল বুঝতে পারে। অযথা তাকে প্রহার করবেন না বা কঠোর শাস্তি দেবেন না। আপনার পোষ্য আপনার সঙ্গ চায়, তাই তাকে একা একা বারান্দা বা ছাদে বেঁধে রেখে দেবেন না বেশিক্ষনের জন্যে।

পঞ্চমত:, সাধারণত কুকুরদের ক্ষেত্রে 3 থেকে 5 মাসের মধ্যেই ট্রেনিং দেওয়া হয়। আপনার পোষ্যকে অবশ্যই ট্রেনিং দেবেন। তাতে সারাজীবন তার সঙ্গ অনেক বেশি এবং ভালোভাবে উপভোগ করতে পারবেন। শুধু তাই নয় বেড়াতে বেরিয়ে তাকে অন্যান্য প্রজাতির কুকুরদের সাথে মিশ্টে দিয়ে সোশ্যাল করে তোলা উচিত হবে।


যখন আপনি আপনার পোষ্যকে নিয়ে বেড়াতে যাবেন, তখন সঙ্গে একটি প্লাস্টিকের প্যাকেট, ট্রে বা পুরোন খবরের কাগজ রাখতে পারলে ভাল হয়। বাইরে বের হলে আপনার পোষ্য মলত্যাগ করবেই। সেই মল প্যাকেটের মধ্যে তুলে ফেলে ডাস্ট বিনে ফেলে দিলে পরিবেশও পরিস্কার থাকবে।

পরিশেষে বলা যায়, আপনার পোষ্য সবথেকে বেশি যে জিনিসটা আপনার থেকে চায়, সেটা হল ভালবাসা। সে আপনাকে নিখাদ ভালবাসা দেয়, পরিবর্তে সেই রকম নিখাদ ভালবাসাই প্রত্যাশা করে। যখন সে কোনো নির্দেশ নির্ভুলভাবে পালন করবে হালকাভাবে তার পিঠ চাবরে উইশ করে দিন। মাঝে মাঝে তার মাথায়, ঘাড়ে এবং পেটের নিচে হাত বুলিয়ে আদর করে দিন। কুকুররা কানে আদর খেতে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে।

দাবানলে নিহত 60 হাজার কোয়ালা

দাবানলে নিহত 60 হাজার কোয়ালা


পশু বসুন্ধরা, 18/08/2021 : অষ্ট্রেলিয়ার ঝোপ জঙ্গল দাবানলের কবলে পড়ে অন্তত 60 হাজার কোয়ালার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ডাবলু ডাবলু এফ। 

অষ্ট্রেলিয়ায় শুকনো ঝোপ জঙ্গলে আগুন লেগে ধিকি ধিকি দাবানল ছড়িয়েছে বহুদূর পর্যন্ত। অন্ততপক্ষে অষ্ট্রেলিয়ার প্রায় আড়াই কোটি হেক্টর জমির জঙ্গল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। মাইলের পর মাইল জমি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। এত বড় বিপর্যয়কে অষ্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন ব্ল্যাক সামার নামে ভূষিত করেছেন। 


এই দাবানলে বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে। 33 জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। অন্ততপক্ষে 60 হাজার কোয়ালার মৃত্যু হয়েছে। বহু কোয়ালা উদ্ভ্রান্তের মত বিভিন্ন শহরের পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই অষ্ট্রেলিয়ায় কোয়ালাদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাচ্ছিল। দেশে বন কেটে চাষের জমি বৃদ্ধি পাচ্ছে, রাস্তাঘাট তৈরি হচ্ছে। শহর গড়ে উঠছে। যার ফলে এমনিতেই কমে আসছিল নিরীহ কোয়ালাদের সংখ্যা। তার মধ্যেই ব্ল্যাক সামার সংখ্যায় অনেকটাই কমিয়ে দিল তাদের। এরপর অতি বিরল তালিকায় না চলে যায় কোয়ালা ।