Showing posts with label দেশের খবর. Show all posts
Showing posts with label দেশের খবর. Show all posts

Sunday, October 3, 2021

গর্তে পড়ে যাওয়া হাতিকে কোনোক্রমে উদ্ধার করল বন দপ্তর

গর্তে পড়ে যাওয়া হাতিকে কোনোক্রমে উদ্ধার করল বন দপ্তর


পশু বসুন্ধরা, 04/10/2021 : রাতভর চেষ্টা করে ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ অরণ্যের কাছে গড়তে পড়ে যাওয়া একটি হাতিকে উদ্ধার করল বন দপ্তর।

গত শনিবার রাতে ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার বাংরিপোসি রেঞ্জের কাছে টেম্বাটোলা গ্রামে ঢুকে পড়েছিল বেশ কয়েকটি বুনো হাতির একটি দল। হাতির পাল গ্রামে ঢুকতেই ভয়ে পালাতে শুরু করে গ্রামবাসীরা। হাতির ভয়ে বিনিদ্র রাত্রি যাপন করে গ্রামবাসীরা।


মধ্যরাতের দিকে কিছু গ্রামবাসী হাতি খেদানোর জন্য হাতিদের তাড়া করে। সেই সময় অল্প বয়সী একটি হাতি একটি গর্তে পড়ে যায় এবং ব্যাপক চীৎকার করতে থাকে। সে নিজেও গর্ত থেকে উঠে পড়ার নানান চেষ্টা করতে থাকে কিন্তু ব্যর্থ হয়। 

এরপর খবর যায় বন দপ্তরে। বন দপ্তরের কর্মীরা এসে হাতিটিকে উদ্ধারের কাজে হাত লাগান। দুরে দাঁড়িয়ে থেকে হাতিদের বাকি দলটি সঙ্গীর জন্যে অপেক্ষা করতে থাকে। 

ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয় জেসিবি মেশিন। জ্বালানো হয় বড় বড় আলো। এরপর রাতভর প্রচেষ্টার পর গর্তে পড়ে যাওয়া হাতিটিকে অক্ষত্দেহে উদ্ধার করেন বনকর্মীরা।

Friday, June 19, 2020

ওড়িশায় উদ্ধার বুলেটবিদ্ধ হাতির মৃতদেহ, উদ্ধার হস্তিশাবক

 দেশের খবর

পশু বসুন্ধরা, বৌধ  শিলিগুড়ি, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ, ১৯/০৬/২০২০ : আজ ওড়িশার মুণ্ডেশ্বর রিজার্ভ  ফরেস্ট থেকে গুলিবিদ্ধ একটি হাতির দেহ উদ্ধার করল বন দপ্তর। অন্যদিকে গতকাল  শিলিগুড়ির কাছে নকশালবাড়ি থেকে একটি হস্তি শাবককে উদ্ধার করেছে বন দপ্তরের কর্মীরা ।  
আজ সকালে ওড়িশার মুণ্ডেশ্বর রিজার্ভ ফরেস্টের অধীনে বৌধ এলাকার মাধপুর অরণ্য  থেকে একটি পূর্ণ  বয়স্ক হাতির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে বন দপ্তরের কর্মীরা। অরণ্যের স্থানীয় কর্মী ও অন্যান্য বাসিন্দারা বন দপ্তরে খবর দিলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বন দপ্তরের একটি দল;  হাতির দেহে বুলেটের ক্ষতচিহ্ন থাকলেও, তার দেহ থেকে কোনো অঙ্গ বা তার দাঁত খোয়া যায় নি বলে জানিয়েছে বন দপ্তর। কিভাবে ওই হাতির মৃত্যু হল, তা জানতে হাতিটির দেহ ময়না তদন্তের জন্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে গতকাল পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির কাছে নক্সালবাড়ি এলাকায় একটি হাতি শাবককে দলছুট হয়ে ঘুরে বেড়াতে  দেখা যায়। শাবকটি নকশালবাড়ি শহরের প্রান্তে ঘোরাঘুরি করছিল। খবর পেয়ে বন দপ্তরের কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে শিলিগুড়ির সাফারি পার্কে নিয়ে যায়। আপাতত সেখানে রেখেই তার চিকিৎসা করা হবে এবং তার ওপর নজর রাখা হবে বলে জানিয়েছে বন দপ্তর। 
এদিকে গতকাল ডুয়ার্সে একটি পূর্ণবয়স্ক হাতি অরণ্যের বাইরে রাস্তার ধারে নালায় পড়ে  গিয়েছিল। কাদায় আটকে গিয়ে সেই হাতি কিছুতেই উঠতে পারছিল না। শেষমেশ বন দপ্তরের কর্মীরা পে-লোডার দিয়ে ঠেলে তিন ঘণ্টার প্রচেষ্টায় তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে চাপরামারির অরণ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়।

Wednesday, June 10, 2020

কুয়ার মধ্যে চিতাবাঘকে উদ্ধার করা হল তিন ঘন্টায়

কুয়ার মধ্যে চিতাবাঘকে উদ্ধার করা হল তিন ঘন্টায়

পশু বসুন্ধরা, ছোট উদেপুর, গুজরাট, ১০/০৬/২০২০ :  আজ সকালে গুজরাটের ছোট উদেপুর গ্রামে একটি কুয়ার মধ্যে একটি চিতাবাঘ পড়ে যায়, দীর্ঘ  প্রচেষ্টার পর সেই চিতাবাঘকে উদ্ধার করেন  গুজরাটের বন দপ্তরের কর্মীরা।
আজ সকালে গ্রামবাসীরা কুয়া থেকে জল তুলতে গিয়ে দেখেন কুয়ার মধ্যে একটি চিতাবাঘ পড়ে গিয়েছে। গ্রামবাসীদের দিকে অসহায়ভাবে তাকিয়েছিল সেই চিতাবাঘটি। ৫০ ফুট গভীর ওই কুয়ার মধ্যে একটি লোহার রডের ওপর সে বসে ছিল। 'কুয়ায় বাঘ পড়েছে' খবরটা চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। প্রচুর গ্রামবাসী চিতাবাঘ দেখতে হাজির হন। ইতিমধ্যে খবর যায় বন দপ্তরে। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান বন দপ্তরের কর্মীরা।
কুয়ার ধরে পৌঁছে বন দপ্তরের কর্মীরা একটি মই সিঁড়ি সঙ্গে দড়ি দিয়ে কুয়ায় মধ্যে ঝুলিয়ে দেন। তার আগে কুয়ার ধার থেকে অবশ্য গ্রামবাসীদের ভিড় সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বন দপ্তরের ঝুলিয়ে দেওয়া মই সিঁড়ি বেয়ে স্ত্রী চিতাবাঘটি সাবধানে ওপরে উঠে আসে। কিন্তু তারপর এতটুকু সময় নষ্ট না করে সে ছুটে অরণ্যে ঢুকে যায়। তিন  ঘণ্টার প্রচেষ্টায় অবশেষে স্ত্রী চিতাবাঘটিকে উদ্ধার করেন বন কর্মীরা। 

সৌজন্যে : ANI

গির অরণ্যে বেড়েছে সিংহের সংখ্যা

গির অরণ্যে বেড়েছে সিংহের সংখ্যা



পশু বসুন্ধরা, ১০/০৬/২০২০ : আমাদের  দেশে সবথেকে বেশি সংখ্যক সিংহ রয়েছে গুজরাটের গির অরণ্যে. সেখানে বর্তমানে সিংহের  সংখ্যা  বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 
গত  ৫বছরে গুজরাটের গির অরণ্যে এশিয়ান সিংহের সংখ্যা বেড়েছে দেড়শর বেশি বলে জানা গিয়েছে বন মন্ত্রক সূত্রে। পাঁচ বছর আগে ২০১৫ সালে গুজরাটে সিংহের সংখ্যা ছিল ৫২৩, আর এখন ২০২০ সালে সেখানে সিংহের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৭৪. গত পাঁচ বছরে ১৫১টি সিংহ  বেড়ে গিয়েছে সেখানে। অর্থাৎ গুজরাটে শতকরা হিসেবে ২৮% বেড়ে গিয়েছে মোট সিংহের সংখ্যায়। 
এর আগে ২০১৫ সালের মে মাসে গুজরাটে সিংহ শুমারি করা হয়েছিল, আর পাঁচ বছর পরে  এবছরেরও মে মাসে সিংহের শুমারি করা হয়েছে। আর তাতেই এই  তথ্য উঠে এসেছে। প্রতি ৫ বছর অন্তর গুজরাটে সিংহের শুমারি করা হয়, অন্যান্য বারের তুলনায় এই শেষ ৫ বছরে সিংহের সংখ্যায় বৃদ্ধির হার অন্যতম সেরা বলে জানিয়েছেন গুজরাটের চিফ ওয়াইল্ড লাইফ ওয়ার্ডেন। 
গুজরাটের বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সিংহের সংখ্যায় এই বৃদ্ধির পিছনে অনেকগুলি কারন রয়েছে যেমন, প্রজনন বৃদ্ধির  পরিকল্পনা, উন্নত  প্রযুক্তির ব্যবহার,  ওয়াইল্ড লাইফ হেলথ কেয়ার, স্থানীয় মানুষের সহযোগিতা,  শিকার বা আহার্য প্রাণীর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং মানুষ-সিংহ সংঘাত হ্রাস করা; এই সব কিছুর ফলস্বরূপ গির অরণ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছে সিংহের সংখ্যা। আমাদের দেশে দীর্ঘমেয়াদি বন্যপশু সংরক্ষণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

Sunday, May 31, 2020

লক ডাউনের দিনগুলোয় নিজের পোষা কুকুরদেরকে রাস্তায় বের করে দিয়েছেন অনেকেই

দেশের খবর

পশু বসুন্ধরা, পুনে, মহারাষ্ট্র, ০১/০৬/২০২০ : কুকুরদের থেকে করোনা ভাইরাস ছড়ায় না। বার বার এই কথা জানিয়েছে দেশ বিদেশের বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকেরা। তা সত্ত্বেও অহেতুক ভ্রান্ত ধারণা পোষন করে লক ডাউনের দিনগুলোয় নিজের পোষা কুকুরদেরকে রাস্তায় বের করে দিয়েছেন অনেকেই।
মহারাষ্ট্রের পুনেতে কর্মা ফাউন্ডেশনের প্রিয়া কায়লাডের তেমনটাই অভিজ্ঞতা হয়েছে। কুকুররা করোনা ভাইরাস ছড়ায় না। তাদের থেকে সংক্রমণের কোনো ভয় নেই। এই কথা জোর দিয়েই বলেছেন দেশ বিদেশের বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকেরা। এই বিষয়ে পশুপ্রেমী মানেকা গান্ধীও একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু কিছু কুকুর মালিক ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে লক ডাউনের সময় তাদের পোষ্যকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। খাবার আর পানীয় জল না পেয়ে সেই কুকুরদের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গিয়েছিল।
কর্মা ফাউন্ডেশনের প্রিয়া জানালেন, "আমরা লক ডাউনের সময় এরকম অন্তত ২০টি কুকুরকে উদ্ধার করেছি। তার মধ্যে একটি সেন্ট বার্নাড প্রজাতির কুকুরও ছিল। প্রত্যেকটি কুকুরকেই অবশ্য আমরা এডপ্ট করাতে পেরেছি। তারাও নতুন আশ্রয় এবং পরিবার পেয়েছে। কিন্তু এই কুকুরগুলির শারীরিক অবস্থা ভাল ছিল না। আমরা প্রত্যেকটি কুকুরকে চিকিৎসা দিতে পেরেছি।"
প্রিয়া জানালেন, "লক ডাউন চলাকালীন আমরা দেড় লক্ষ কুকুর এবং বিড়ালদের খাবার দিতে পেরেছি। যে সব গরু রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় এবং যেগুলি অস্থায়ী আশ্রয়ে থাকে, তাদের জন্যে আমরা ১১,০০০ কিলো খাবারের আয়োজন করতে পেরেছি। মাথেরন অঞ্চলে বেশ কিছু পরিত্যক্ত ঘোড়া দেখতে পাওয়া যায়, ওদেরকে আমরা মোট ৫,০০০ কিলো খাবার দিতে পেরেছি। ওদেরকে খাওয়ানোর জন্যে আমাদের প্রত্যন্ত গ্রামেও যেতে হয়েছে।"