Thursday, July 16, 2020

রান্নাঘরে বাঘ, রান্না করতে ঢুকে হতবাক গৃহিনী

দেশ

পশু বসুন্ধরা, ১৬/০৭/২০২০ : রান্নাঘরে রান্না করতে ঢুকেই যে এহেন পরিস্থিতিতে পড়বেন তা ঘুনাক্ষরেও বিঝতে পারেন নি বাড়ির গৃহিনী। রান্নাঘরে হাজির ব্যাঘ্র পরিবারের আর এক গৃহিনী !  
আজ আসামের নওগাঁ জেলার বাঘমারী এলাকার বাগোরি অরণ্যের কাছে একটি বাড়িতে গৃহিনী রান্নাঘরে ঢুকতেই দেখেন রান্না ঘরে টান টান হয়ে শুয়ে আছে একটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। গৃহিণীকে দেখেই বাঘিনী তাঁর দিকে জুল জুল করে তাকিতে থাকে। ভয়ে তখন গৃহিণীর শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার জোগাড়। এ যেন সেই সত্যজিৎ রায়ের হীরক রাজার দেশে ছবির অবিকল দৃশ্য, 'তুমি যে এ ঘরে কে তা জানতো' ! কোনোক্রমে রান্না ঘরের দরজা বন্ধ করে বেরিয়ে আসেন সেই গৃহিনী। এত কিছুর মধ্যেও মাথা ঠান্ডা রেখেছিলেন বলেই বোধ হয় রান্নাঘরের দরজা তিনি বন্ধ করে দিতে পেরেছিলেন। যে কারণে বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি। 
বাঘিনী কোনো উৎপাত না করেই রান্নাঘরে দিব্যি শুয়ে ছিল। সেভাবে কোনো তর্জন গর্জনও করেনি সে।এদিকে এলাকায় রটে যায় 'রান্নাঘরে বাঘ' শব্দ দুটি, আর নিমেষে গ্রামের মানুষ ভীড় জমাতে থাকে সেই বাড়ির আশেপাশে। খবর যায় বন দপ্তরে। বাঘটিকে ভাল করে দেখতে আর তার মতি গতি বুঝতেই বন দপ্তরের লেগে যায় অনেকটা সময়, তারপর ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় অতিবাহিত করে বন দপ্তরের কর্মীরা ট্র্যাঙ্কুলাইজ করে বাঘিনীকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। 
বন দপ্তর এই বাঘিনিকে উদ্ধার করার পরে উপস্থিত গ্রামবাসী এবং পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে তাদের কাজে সহযোগিতা করার জন্যে। আপাতত বাঘিনীকে রেসকিউ সেন্টারে নিয়ে গিয়ে কয়েকদিন নিরীক্ষণ করা হবে, যদি তেমন কোনো অসুস্থতা না থাকে, তাহলে তাকে ফের গবীর অরণ্যে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

Saturday, July 11, 2020

কোয়েম্বাটোরের গ্রাম থেকে উদ্ধার ১৫ ফুট লম্বা কিং কোবরা

দেশ

পশু বসুন্ধরা , কোয়েম্বাটোর, তামিলনাড়ু, ১২/০৭/২০২০ : কোয়েম্বাটোরের খুব কাছের একটি অরণ্যের ধার থেকে বনকর্মীরা উদ্ধার করল ১৫ ফুট লম্বা একটি কিং কোবরাকে। সাপটি লোকালয়ের দিকে চলে আসছিল।
তামিলনাড়ুর বন দপ্তরের কর্মীরা জানিয়েছেন, গতকাল কোয়েম্বাটোরের ঠণ্ডামুথুরের নরসিপুরম গ্রাম থেকে খবর আসে, সেখানে বড়সড় একটি সাপ দেখা গিয়েছে, যা নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে বন্ দপ্তরের কর্মীরা দ্রুত সেই গ্রামে যান। গিয়ে দেখেন সেটি কিং কোবরা। লম্বায় প্রায় ১৫ ফুট।  এরপর ঘটনাস্থলে বন্ দপ্তরের মধ্যেই যাঁরা সাপ ধারার ব্যাপারে অভিজ্ঞ তাঁরা পৌঁছে যান। কেননা অন্য কোনো সাপ ধরা এবং কিং কোবরা ধরার মধ্যে অনেক পার্থক্য  রয়েছে। কিং কোবরা ধরার জন্যে অনেক সামগ্রীও লাগে। 
এরপর বনদপ্তরের কর্মীরা বেশ কিছুক্ষণের প্রচেষ্টার পর কিং কোবরাকে ধরতে সক্ষম হন। বন্ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কিং কোবরাটি  সুস্থ ছিল এবং সাপটিকে পরে শিরোভানি অরণ্যের গভীরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ওড়িশার গঞ্জাম জেলায় জরাদা জগন্নাথ মন্দিরের পিছন থেকে বন্ দপ্তরের  কর্মীরা এবং 'পিপল ফর এনিম্যাল' (PFA) এনজিওর  স্বেচ্ছাসেবীরা একটি কিং কোবরা ধরেছিল, যেটির দৈর্ঘ্য ছিল ১০ ফুট। পরে সেই সাপটিকেও গভীর অরণ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

সৌজন্য : ANI

Wednesday, July 8, 2020

নাগাল্যান্ডে কুকুর খাওয়া নিষিদ্ধ, তবু রাজ্য জুড়ে বিতর্ক

দেশ

পশু বসুন্ধরা,  কোহিমা, নাগাল্যান্ড, ০৮/০৭/২০২০ :  কিছুদিন আগেই নাগাল্যান্ড সরকার কুকুরের মাংস খাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে গোটা নাগাল্যান্ড রাজ্যে। আজ আবার সেই বিষয় নিয়ে নাগাল্যান্ড জুড়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। 
আমাদের দেশে কুকুরের মাংস অন্য কোনো রাজ্যে খাওয়ার চল না থাকলেও, একমাত্র নাগাল্যান্ডে চালু ছিল, কিছুদিন আগে ৩রা জুলাই, নাগাল্যান্ড সরকার তাদের রাজ্যে কুকুরের মাংস বিক্রি এবং খাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারী  করেছিল। নাগাল্যান্ডের পশুপ্রেমী মানুষ সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিল। নাগাল্যান্ডের মানুষ যাতে কুকুরের মাংস ভক্ষণ থেকে বিরত থাকেন, তার জন্যে অনেক বছর ধরে এই পশুপ্রেমীরা নাগাল্যান্ড জুড়েই প্রচার চালিয়ে বলেছিল, "নাগাল্যান্ডবাসীরা কুকুরের মাংস ছাড়াও থাকতে পারে।"
চীন দেশেও কুকুরের মাংস খাওয়ার চল রয়েছে, এবং সেখানে প্রতিবছর রীতিমত সাতদিন ধরে কুকুরের মাংসের উৎসব চালানো হয়, এই উপলক্ষে প্রতিবছর নিষ্ঠুরভাবে চীনে প্রচুর কুকুরকে হত্যা করা হয়। গোটা বিশ্বের অসংখ্য মানুষ তথা পশুপ্রেমী চীনের এই মাংস ভক্ষণ প্রবনতার প্রতিবাদ জানায়। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়াতেও কুকুর মেরে খেয়ে নেওয়ার প্রথা চালু রয়েছে, যার কারণে এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার সিওল আলিম্পিকে বিশ্বের বহু দেশ অংশগ্রহণ করেনি শুধুমাত্র কুকুরের মাংসের প্রতিবাদে।


নাগাল্যান্ডের পশুপ্রেমীরা জানাচ্ছেন, "যে প্রাণীটি আমার পরিবারের অংশ হয়ে উঠতে পারে, সেই প্রাণিটিকেই আমরা কিভাবে রান্না করে নিজেদের খাবারের থালায় তুলতে পারি!" কিন্তু নাগাল্যান্ডে বহু মানুষ কুকুর হত্যা এবং কুকুরের মাংস বিক্রয় ব্যবসার সাথে যুক্ত হয়ে রয়েছেন। নাগাল্যান্ডের বেশ কয়েকটি উপজাতি কুকুরের মাংস খাওয়াকে বেশ ভাল চোখে দেখে। এই সব কারণে নাগাল্যান্ডে কুকুরের মাংস বিক্রি করা বা খাওয়া বন্ধের ব্যাপারে বেশ বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে। গত ৩ তারিখ থেকে নাগাল্যান্ডে কুকুরের মাংস কেনা, বিক্রি বা খাওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে নাগাল্যান্ড সরকার, কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে জোরদার বিতর্ক শুরু হয়েছে নাগাল্যান্ড জুড়েই, সরকারের কোনো উচ্চপদস্থ আধিকারিক এই নিয়ে আর নতুন করে মুখ খুলতে চাইছেন না। 

Saturday, June 27, 2020

শিখরের বাড়িতে নতুন অতিথি, এখন ধাওয়ান পরিবারের সদস্য

দেশ

পশু বসুন্ধরা , নতুন দিল্লী, ভারত, ২৭/০৬/২০২০ : ভারতীয় ক্রিকেটার শিখর  ধাওয়ানের বাড়িতে দুই নতুন অতিথি এসেছে। সেই দুই অতিথির সাথে সকলকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্যেই তাদের ছবি শিখর পোস্ট করেছেন নিজের ইনস্ট্রাগ্রামে। 
আসলে শিখর ধাওয়ান দুটি পথ সারমেয়কে দত্তক নিয়েছে, এবং তাদেরকে পরিবারের অংশ করে নিয়েছে। সেই দুই পোষ্যের একজনের নাম চোলে এবং আর একজনের নাম ভ্যালেন্টাইন। দুজনকেই দত্তক পেয়ে খুব খুশি ধাওয়ান পরিবার। তাদের নিয়েই এখন ধাওয়ান পরিবারের কোয়ালিটি টাইম কাটছে। গোটা দেশে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে এখন কোনো ক্রিকেট খেলা না থাকায় দুই পোষ্যকে পুরোদস্তুর সময় দিচ্ছেন শিখর  ধাওয়ান।
অন্য্ একটি ছবিতে বাঁ হাতি ব্যাটসম্যানের সাথে তাঁর ছেলে জোরাভরকেও দেখা যাচ্ছে আর ধবধবে সাদা রঙের দুই সারমেয় পোষ্য অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে ক্যামেরার দিকে। নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার মিচেল ম্যাকক্লেনাঘ্যান শিখরের এই সারমেয় প্রেম ও পথ কুকুরদের দত্তক নেওয়ার ব্যাপারটিকে প্রশংসা করেছেন। তিনি তাঁর টুইট ছোট্ট করে লিখে দিয়েছেন 'নাইস'।

Monday, June 22, 2020

মুখে আঘাতের ক্ষত নিয়ে প্রাণ গেল আরও এক হাতির

দেশ

পশু বসুন্ধরা, কোয়েম্বাটোর, তামিলনাড়ু, ২২/০৬/২০২০ : কেরালার পর এবার দক্ষিণ ভারতের আর এক রাজ্যে তামিলনাড়ুতে মুখে আঘাতের ক্ষত নিয়ে প্রাণ গেল ১২ বছর বয়স্ক এক হাতির।  
প্রাপ্তবয়স্ক এই হাতিটিকে মুখে ক্ষত নিয়ে তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোর শহরের বাইরে অনাঙ্কাট্টি পাহাড়ের নিচে জাম্বুগান্ডি গ্রামের কাছে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছিল কিছুদিন ধরেই। হাতিটির মুখে গভীর ক্ষত  ছিল বলে জানিয়েছেন  স্থানীয় বন দপ্তরের কর্মীরা। বন দপ্তরের কর্মীরা গত দুদিন ধরে নানাভাবে চেষ্টা চালাচ্ছিলেন হাতিটিকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্যে। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয় নি।  শেষ মেশ হাতিটিকে আর বাঁচানো যায় নি। আমাদের দেশে বন্যজন্তুদের জন্যে আদৌ কি সুচিকিৎসার সঠিক পরিকাঠামো আছে ? প্রশ্ন উঠছে তা নিয়েই।
আজ সকালে হাতিটি মারা যায়। কিন্তু কি কারণে হাতিটির মুখে গভীর ক্ষত হয়েছিল, কিসের আঘাতে তার মুখ ক্ষতবিক্ষত হয়েছিল, তা এখনো জানাতে পারে নি বন দপ্তর। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই পাশের রাজ্য কেরালায় আনারসের ভিতরে বোমা ঢুকিয়ে খাওয়ানোয় এক অন্তঃসত্ত্বা হাতির মৃত্যু হয়েছিল, একই কায়দায় কিছুদিন আগে কেরালাতেই আরও এক হাতির মৃত্যু হয়েছিল। এই দুই হাতির মুখেও ছিল গভীর ক্ষত। 
কোয়েম্বাটোরে অনাঙ্কাট্টি পাহাড়ের নিচে থাকা এই হাতিটির ময়না তদন্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে, তার পরেই তার মৃত্যুর সঠিক কারন হয়ত জানা যাবে। 

Friday, June 19, 2020

ওড়িশায় উদ্ধার বুলেটবিদ্ধ হাতির মৃতদেহ, উদ্ধার হস্তিশাবক

 দেশের খবর

পশু বসুন্ধরা, বৌধ  শিলিগুড়ি, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ, ১৯/০৬/২০২০ : আজ ওড়িশার মুণ্ডেশ্বর রিজার্ভ  ফরেস্ট থেকে গুলিবিদ্ধ একটি হাতির দেহ উদ্ধার করল বন দপ্তর। অন্যদিকে গতকাল  শিলিগুড়ির কাছে নকশালবাড়ি থেকে একটি হস্তি শাবককে উদ্ধার করেছে বন দপ্তরের কর্মীরা ।  
আজ সকালে ওড়িশার মুণ্ডেশ্বর রিজার্ভ ফরেস্টের অধীনে বৌধ এলাকার মাধপুর অরণ্য  থেকে একটি পূর্ণ  বয়স্ক হাতির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে বন দপ্তরের কর্মীরা। অরণ্যের স্থানীয় কর্মী ও অন্যান্য বাসিন্দারা বন দপ্তরে খবর দিলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বন দপ্তরের একটি দল;  হাতির দেহে বুলেটের ক্ষতচিহ্ন থাকলেও, তার দেহ থেকে কোনো অঙ্গ বা তার দাঁত খোয়া যায় নি বলে জানিয়েছে বন দপ্তর। কিভাবে ওই হাতির মৃত্যু হল, তা জানতে হাতিটির দেহ ময়না তদন্তের জন্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে গতকাল পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ির কাছে নক্সালবাড়ি এলাকায় একটি হাতি শাবককে দলছুট হয়ে ঘুরে বেড়াতে  দেখা যায়। শাবকটি নকশালবাড়ি শহরের প্রান্তে ঘোরাঘুরি করছিল। খবর পেয়ে বন দপ্তরের কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে শিলিগুড়ির সাফারি পার্কে নিয়ে যায়। আপাতত সেখানে রেখেই তার চিকিৎসা করা হবে এবং তার ওপর নজর রাখা হবে বলে জানিয়েছে বন দপ্তর। 
এদিকে গতকাল ডুয়ার্সে একটি পূর্ণবয়স্ক হাতি অরণ্যের বাইরে রাস্তার ধারে নালায় পড়ে  গিয়েছিল। কাদায় আটকে গিয়ে সেই হাতি কিছুতেই উঠতে পারছিল না। শেষমেশ বন দপ্তরের কর্মীরা পে-লোডার দিয়ে ঠেলে তিন ঘণ্টার প্রচেষ্টায় তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে চাপরামারির অরণ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়।

Friday, June 12, 2020

পশু নির্যাতন বন্ধে চাই কঠোর আইন : অনুষ্কা শর্মা

দেশ

পশু বসুন্ধরা, মুম্বই, মহারাষ্ট্র, ১১/০৬/২০২০ : আমাদের দেশে পশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর আইন চেয়ে ডিজিটাল ক্যাম্পেন খুলতে এগিয়ে এলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মা।
কেরালায় আনারসের মধ্যে করে বোমার আঘাতে অন্তঃসত্ত্বা হস্তিনীর মৃত্যুর পরেই পশু নির্যাতন নিয়ে ব্যাপকভাবে সরব হয়েছিলেন অভিনেত্রী অনুষ্কা শর্মা এবং তাঁর স্বামী ভারতের ক্রিকেট অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এবার গোটা দেশে পশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুললেন অনুষ্কা শর্মা। তিনি আবেদন করেছেন, যাতে আমাদের দেশে পশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইন আরও কঠোর করা হয়।
আমাদের দেশে পশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সেভাবে কোনো কঠোর আইন নেই। অপরাধীদের সেভাবে ধরাও হয় না।পুলিশ অভিযোগ নিতে চায় না। অপরাধী গ্রেপ্তার হলেও সামান্য জরিমানা দিয়ে সেদিনেই মুক্তি লাভ করে। এর ফলে গোটা দেশে পশুদের ওপর অত্যাচার বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। পুরোন আইনের বদলে নতুন এবং আরও কঠোর আইনের দাবি বহু দিন থেকেই জানিয়ে আসছেন অসংখ্য পশুপ্রেমীরা।
একই দাবি নিয়ে সরব হয়েছিল পশু সংঠন 'আফফা', পশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনার জন্যে সরব হওয়ার জন্যে 'আফফা'র তরফ  থেকে বিশিষ্ট মানুষদের কাছে টুইট করে আবেদন রাখা হয়েছিল। সেই বিশিষ্টজনদের তালিকায় ছিলেন, নরেন্দ্র মোদী, বাবুল সুপ্রিয়, বিরাট কোহলি, অনুষ্কা শৰ্মা, অমিতাভ বচ্চন এবং মিমি চক্রবর্তী। আজ অনুষ্কা শর্মা একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরী করে পশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠেন এবং দেশের কাছে আরও কঠোর আইনের দাবি তোলেন। অনুষ্কার মত যদি অন্যান্য জনপ্রিয় মুখগুলিও এই দাবি তুলতে শুরু করেন, তাহলে পশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর আইন নিয়ে আসতে  খুব দেরি  হবে না।